বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
মাতৃভূমি সংবাদ
স্টাফ রিপোর্টার
সারাদেশে ডিলারদের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্য পণ্য বিক্রি করে ট্রেনিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি)। সংস্থাটির তথ্য বলছে প্রায় এক কোটি পরিবারকে প্রতি মাসে টিসিবি পণ্য পারিবারিক কার্ডের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবার গুলোর মধ্যে বিলি করে আসছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক ডিলার এর মাধ্যমে এতে নিম্ন আয়ের মানুষ গুলো অনেক উপকৃত হয়। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ৪৮ নং ওয়ার্ডের ফারহানা ট্রেডার্স, ও হাবিব এন্টারপ্রাইজ নামক দুটি প্রতিষ্ঠান, গত আগস্ট মাসের টিসিবির পণ্য উত্তোলন করলেও নিন্মাআয়ের কার্ডধারীদের মধ্যে বিতরণ করে নাই। গত ২১/৮/২০২৪ ইং তারিখে টিসিবির লিস্টে দেখা যায় হাবিব এন্টারপ্রাইজ ৭২৫ ফারহানা ট্রেডার্স ৭২৫ কার্ডের টিসিবি পন্য পাই। কিন্তু তারা টিসিবির অফিস থেকে মাল ডেলিভারি করে নিয়ে আসলেও। ভোক্তাদের মাঝে টিসিবির পণ্য বিতরণ করে নাই। স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় টিসিবির কার্ডধারীরা পণ্য পাই নাই। গত ২১/৮/২০২৪ তারিখের পর থেকে তাদের টিসিবির দোকান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ দেখা যায়। বিভিন্ন সুবিধাভোগী টিসিবির কার্ডধারীরা পন্যের জন্য এসে পন্য না পেয়ে হতাশ হয়ে ফেরত যায়। প্রতিদিন সকাল বিকেল টিসিবির দোকানের সামনে মানুষ জড়ো হতে দেখা যায়। স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায় ‘ফারহানা ট্রেডার্স, ও হাবিব এন্টারপ্রাইজ, এভাবে টিসিবি পন্য না দিয়ে অসহায় মানুষকে বঞ্চিত করে আসছে। এ ব্যাপারে ৪৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিসে গিয়ে জানতে চাইলে, ওয়ার্ড সচিব মাসুম জানায় যে এদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আছে। প্রায় টিসিবির পণ্য না দিয়ে মানুষর সাথে প্রতারণা করে দোকান বন্ধ রাখে ও মোবাইলে ফোন করলে কারোরই ফোন রিসিভ করেনা। এর আগেও কাউন্সিলর আবুল কালাম অনু সাহেব ফারহানা ট্রেডার্স ও হাবিব এন্টারপ্রাইজ কে ডেকে বারবার সচেতন করেছে। কিন্তু এরা কারের কথাই কর্ণপাত করে না। এমনকি কিছু বললে বিভিন্ন এমপি দিয়ে আমাদেরকে ফোন দেওয়ায়। সাংবাদিক প্রতিনিধিরা সরজমিনে গিয়ে দেখে যে দোকানের টিসিবির কোন লোগো সম্মিলিত ব্যানার কোন সাইনবোর্ড নেই। আছে চাল, ডাল, আটা, ও এম এস দোকান এভাবে মানুষের সাথে দীর্ঘদিন প্রতারণা করে আসছে। প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে প্রতি প্যাকেজ সরকারি চাল, ডাল, তেল ৪৭০ টাকার পরিবর্তে তার ম্যানেজার শফিউল্লাহ ফারহানার উপস্থিতিতে ৫৬০ টাকা করে কার্ড ছাড়া বিক্রি করে। প্রতি প্যাকেজে ৯০ টাকা করে বেশি নেওয়ার অভিযোগ কার্ডধারীদের। এরপর কার্ডধারীরা ৯৯৯ যাত্রাবাড়ী থানায় অভিযোগ করলে থানা হতে পুলিশ অফিসার এসআই অলিউল্লাহ এসে টিসিবির কার্ডধারী ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে টাকা বেশি নেওয়ার সত্যতা পাই। পরে পুলিশ অফিসারদের সাথে এমপি বাবলার টেলিফোনে কথা বলিয়ে দেনদরবার করে সমাধানে আসে। চলমান…..
Leave a Reply